করোনাকালেই কাটিং এজ প্রযুক্তি উৎপাদক দেশে পা রাখলো বাংলাদেশ : পলক
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে ধাক্কা পৃথিবীকে দিতে যাচ্ছে সেখানেও অংশ নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ যে অলিক স্বপ্ন নয় কোভিড-১৯ সময়ে প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা ও পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে তার প্রমাণ পেতে শুরু করেছে দেশের মানুষ। সেই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন মেডিকার্ড ইউভিসি এন্ড থার্মাল রিমোট কন্ট্রোল ডিজইনফেক্টান্ট চেম্বার এন্ড ল্যাম্প তৈরি করে কাটিং এজ প্রযুক্তি উৎপাদক দেশে পা রাখলো বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার ওয়ালটনের কারখানায় তৈরী মেডি-কাট রোবট ডক্টর এবং ইউভিসি এন্ড থার্মাল রিমোট কন্ট্রোল ডিশইনফেক্টান্ট চেম্বার এন্ড ল্যাম্প এর ফাংশনাল প্রোটোটাইপ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন কোভিড -১৯ এর মতো দীর্ঘমেয়াদী শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ী হতে প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। ওয়ালটন কর্তৃক করোনাভইরাস মোকাবেলায় জীবন সুরক্ষাকারী ভেন্টিলেটরসহ অন্যান্য ইকুইপমেন্ট ও ডিভাইস তৈরির বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের মর্যাদাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে অনেকখানি এগিয়ে নিয়ে গেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে অনেকদূর এগিয়ে গেল দেশ ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারকারীই নয় ডিজিটাল পণ্য উৎপাদক ও উদ্ভাবক দেশও।
অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আজই পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণের জন্য ওয়ালটনের তৈরি মেডিকেল ডিভাইস তিনটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জমা দিয়েছে আইসিটি বিভাগ।
ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নতুন উদ্ভাবিত পণ্যগুলোর ডিজিটাল ডেমো দেখানো হয়। এসময় জানানো হয়, ক্লিনিক্যাল টেস্ট শেষে আগামী অর্থ বছরের মধ্যেই এটি বাজারে আনা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনের সভাপতি লিয়াকত আলী বলেন, করোনাকালে মানুষে জীবন রক্ষায় আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। ভেন্টিলেটর থেকে জীবানুনাশক যন্ত্র দেশেই উৎপাদন করেছি। এই ডিভাইসগুলি যদি একটি জীবনও রক্ষা করতে পারে তবেই আমরা নিজেদের স্বার্থক হিসেবে মনে করবো।